মজুদ বৃদ্ধি সত্ত্বেও ইন্দোনেশিয়ায় বেড়েছে চালের দাম

উৎপাদন ও মজুদ বৃদ্ধি সত্ত্বেও ইন্দোনেশিয়ায় সম্প্রতি চালের দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

উৎপাদন ও মজুদ বৃদ্ধি সত্ত্বেও ইন্দোনেশিয়ায় সম্প্রতি চালের দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ক্রয়মূল্য বাড়ানো ও সরকারি ক্রয়মান শিথিল করার কারণে দেশটির বাজারে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে ইন্দোনেশিয়ার ভোক্তাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। খবর রয়টার্স।

আগস্টে মাঝারি মানের চালের দাম বেড়ে কেজিপ্রতি ১৫ হাজার ৯৫০ রুপিয়ায় (৯৬ সেন্ট বা প্রায় ১১৭ টাকার সমান) দাঁড়ায়। এটি বছরের শুরু থেকে প্রায় ৫ শতাংশ বৃদ্ধি এবং ২০২৪ সালের মার্চের রেকর্ডের সমান। চলতি মাসে দাম কিছুটা কমলেও ২০২৩ সালের শুরু থেকে ২৪ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

ইন্দোনেশিয়ার প্রধান খাদ্য চাল। দেশটিতে বছরের প্রথম সাত মাসে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন প্রায় ১৬ শতাংশ বেড়েছে। এর পরও সরবরাহ সংকটের কারণে খুচরা বিক্রেতারা ক্রয় সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছেন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এ সংকটের পেছনে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোবো সুবিয়ান্তোর খাদ্য ও জ্বালানি স্বয়ংসম্পূর্ণতা নীতি। জানুয়ারিতে দেশটির সরকার প্রক্রিয়াকরণ ছাড়া চালের সরকারি ক্রয়মূল্য কেজিপ্রতি ৬ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৬ হাজার ৫০০ রুপিয়া করেছে। দেশটির সরকারি ক্রয় সংস্থা বুলগকে ৩০ লাখ টন চাল কেনার নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় তিন গুণ।

মার্চে প্রাবোবো ঘোষণা করেছিলেন, সরকারি ক্রয়মূল্য ‘যেকোনো মানের’ চালের ওপর প্রযোজ্য হবে। এর ফলে বুলগ নিম্নমানের চাল কিনতে শুরু করেছে।

আরও